
গর্ভাবস্থায় অনেক নারীকেই ব্যক্তিগত, পারিবারিক বা কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনে বিমান ভ্রমণ করতে হয়। তবে তখন স্বাভাবিকভাবেই একটি প্রশ্ন সামনে আসে-এই সময় উড়োজাহাজে ভ্রমণ কতটা নিরাপদ?
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ ও জটিলতামুক্ত গর্ভাবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু সতর্কতা মেনে চললে বিমান ভ্রমণ সাধারণত নিরাপদ। তবে ভ্রমণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কোন সময় বিমান ভ্রমণ সবচেয়ে নিরাপদ?
চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থার ১৪ থেকে ২৮ সপ্তাহ, অর্থাৎ দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক বিমান ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এ সময় সকালে বমিভাব ও অতিরিক্ত ক্লান্তি অনেকটাই কমে যায় এবং অকাল প্রসবের ঝুঁকিও তুলনামূলক কম থাকে।অন্যদিকে, গর্ভাবস্থার একেবারে শুরুর দিকে গর্ভপাতের ঝুঁকি এবং শেষের দিকে প্রসববেদনা শুরু হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকায় দীর্ঘ ভ্রমণে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন।
কখন বিমান ভ্রমণ এড়িয়ে চলবেন?
সব গর্ভবতী নারীর জন্য বিমান ভ্রমণ সমান নিরাপদ নয়। যে সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া ভ্রমণ করা উচিত নয়-
- যমজ বা একাধিক সন্তান ধারণ
- উচ্চ রক্তচাপ বা প্রি-এক্লাম্পসিয়া
- যোনিপথে রক্তপাত
- প্লাসেন্টার জটিলতা
- অকাল প্রসবের পূর্ব ইতিহাস
- গুরুতর রক্তশূন্যতা বা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত জটিলতা
এ ধরনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের আগে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
বিমানে ওঠার আগে কী কী প্রস্তুতি নেবেন?
ভ্রমণের আগে চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন। অনেক এয়ারলাইনস নির্দিষ্ট সপ্তাহের পর গর্ভবতী যাত্রীদের জন্য চিকিৎসকের ফিটনেস সনদ চেয়ে থাকে। এ ছাড়া সঙ্গে রাখুন প্রয়োজনীয় ওষুধ, গর্ভাবস্থার চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র, পর্যাপ্ত পানির বোতল, হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার।এছাড়া আরামদায়ক, ঢিলেঢালা পোশাক এবং সমতল জুতা পরলে ভ্রমণ আরও স্বস্তিদায়ক হবে।
টাঙ্গাইল ভযেস ২৪ ডেস্ক: 


















