ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে কমেছে সবজি দাম, মাছ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা

অনলাইন ডেস্কঃ বরিশালে সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কিছুটা কমলেও মাছের চড়া দামে বাজারে গিয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন ক্রেতারা। বাজারে সব ধরনের সবজি কেজিতে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত কমলেও কমেনি মাছের দাম।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরীর বহুমুখী সিটি মার্কেট পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোড মাছের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ গত সপ্তাহের চেয়ে ১০ টাকা কমে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। পটল ৩০, ঢেঁড়স ৪০, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৫৫ টাকা, গাজর ৯০ টাকা, পেঁপে ৬-১০ টাকা, লাউ ৪০ টাকা, লেবু হালি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে শীতকালীন সিম ৯০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি আবার খুচরা বাজারে ২০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাংলাবাজারে আসা ক্রেতা ছাইদুল বলেন, কয়েকদিন ধরে সবজির দাম কিছুটা কমলেও মাছের বাজারে আগুন। নিজেদের নদ-নদীর মাছের দামও যদি নাগালের বাইরে থাকে তাহলে সাধারণ মানুষ কি কিনে খাবে। এজন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং দরকার।আরেক ক্রেতা ফরহাদ বলেন, আসলে দাম কমানো বা বাড়ানো এটা সম্পূর্ণ ব্যবসায়ীদের কারসাজি। যখন বৃষ্টির সিজন ছিল তখন বলছে বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কম তাই দাম বেশি। আবার এখন শুনছি পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বেড়েছে।

নগরীর বহুমুখী সিটি মার্কেট পাইকারি সবজির বাজারের দুলাল বাণিজ্যালয়ের শুভ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, দাম কমানো ও বাড়ানোর বিষয়ে এখানকার ব্যবসায়ীদের কোনো হাত নেই। এখানে ব্যবসায়ীরা পন্য কিনে আনার পর যেমন কেনা তেমন বিক্রি করেন।

এদিকে নগরীর পোর্ট রোড পাইকারি মাছ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে সাধারণ মানুষের হিমশিম অবস্থা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীর মাছের সরবরাহ না থাকায় চাহিদা ও দাম দুটোই বেড়েছে চাষের মাছের। সপ্তাহ ব্যবধানে আকার ও প্রকারভেদে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে পছন্দের মাছ কিনতে না পারার আক্ষেপ ক্রেতাদের কণ্ঠে।

জাহিদুল নামে এক ক্রেতা বলেন, এক কেজি চিংড়ি মাছ ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় কিনেছি। এখন সেই চিংড়ি মাছ ১৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে অন্যান্য মাছের দামও বেড়েছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী পছন্দের মাছ কিনতে না পেরে তেলাপিয়া ও পাঙ্গাশ মাছ কিনতে হয়।এদিকে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মুরগির বাজারে। কিছু দিন ধরে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৭০-১৭৫ টাকা, লেয়ার ৩৪০, আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ টাকায়। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম।

বরিশালে কমেছে সবজি দাম, মাছ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা

প্রকাশের সময় : ০৬:১০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন ডেস্কঃ বরিশালে সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কিছুটা কমলেও মাছের চড়া দামে বাজারে গিয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন ক্রেতারা। বাজারে সব ধরনের সবজি কেজিতে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত কমলেও কমেনি মাছের দাম।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরীর বহুমুখী সিটি মার্কেট পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোড মাছের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ গত সপ্তাহের চেয়ে ১০ টাকা কমে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। পটল ৩০, ঢেঁড়স ৪০, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৫৫ টাকা, গাজর ৯০ টাকা, পেঁপে ৬-১০ টাকা, লাউ ৪০ টাকা, লেবু হালি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে শীতকালীন সিম ৯০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি আবার খুচরা বাজারে ২০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাংলাবাজারে আসা ক্রেতা ছাইদুল বলেন, কয়েকদিন ধরে সবজির দাম কিছুটা কমলেও মাছের বাজারে আগুন। নিজেদের নদ-নদীর মাছের দামও যদি নাগালের বাইরে থাকে তাহলে সাধারণ মানুষ কি কিনে খাবে। এজন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং দরকার।আরেক ক্রেতা ফরহাদ বলেন, আসলে দাম কমানো বা বাড়ানো এটা সম্পূর্ণ ব্যবসায়ীদের কারসাজি। যখন বৃষ্টির সিজন ছিল তখন বলছে বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কম তাই দাম বেশি। আবার এখন শুনছি পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বেড়েছে।

নগরীর বহুমুখী সিটি মার্কেট পাইকারি সবজির বাজারের দুলাল বাণিজ্যালয়ের শুভ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, দাম কমানো ও বাড়ানোর বিষয়ে এখানকার ব্যবসায়ীদের কোনো হাত নেই। এখানে ব্যবসায়ীরা পন্য কিনে আনার পর যেমন কেনা তেমন বিক্রি করেন।

এদিকে নগরীর পোর্ট রোড পাইকারি মাছ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে সাধারণ মানুষের হিমশিম অবস্থা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীর মাছের সরবরাহ না থাকায় চাহিদা ও দাম দুটোই বেড়েছে চাষের মাছের। সপ্তাহ ব্যবধানে আকার ও প্রকারভেদে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে পছন্দের মাছ কিনতে না পারার আক্ষেপ ক্রেতাদের কণ্ঠে।

জাহিদুল নামে এক ক্রেতা বলেন, এক কেজি চিংড়ি মাছ ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় কিনেছি। এখন সেই চিংড়ি মাছ ১৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে অন্যান্য মাছের দামও বেড়েছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী পছন্দের মাছ কিনতে না পেরে তেলাপিয়া ও পাঙ্গাশ মাছ কিনতে হয়।এদিকে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মুরগির বাজারে। কিছু দিন ধরে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৭০-১৭৫ টাকা, লেয়ার ৩৪০, আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ টাকায়। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম।