নারি ও শিশু ডেস্কঃ আফগানিস্তানে তীব্র অপুষ্টি ও ক্ষুধা নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটিতে ১ কোটি ৫৯ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রকাশিত বৈশ্বিক ক্ষুধা পরিস্থিতিবিষয়ক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
জাতিসংঘের সমন্বিত খাদ্যনিরাপত্তা পর্যায় শ্রেণিবিন্যাস (আইপিসি) উদ্যোগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির ৩৪ লাখ মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার জরুরি পর্যায়ে রয়েছে। এই পর্যায় দুর্ভিক্ষের আগের ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। শীতের মৌসুমে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক চাপের কারণে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের পরিবারগুলো সংকটে পড়েছে। জনসংখ্যার ৩২ শতাংশের বেশি মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার সংকটপূর্ণ বা তার চেয়ে খারাপ পর্যায়ে রয়েছে। রোগের প্রাদুর্ভাব, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের ঘাটতি এবং পুষ্টিসেবা পাওয়ার সুযোগ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।
আগামী নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শীতকালীন সংকটের সময়ে আফগানিস্তানে খাদ্য পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময়ে প্রায় ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার সংকটপূর্ণ বা তার চেয়ে খারাপ পর্যায়ে পড়তে পারে। তাদের মধ্যে ৫০ লাখ মানুষ থাকবে জরুরি পর্যায়ে।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ বছরের কম বয়সী ৪০ লাখ ৪০ হাজার শিশুর তীব্র অপুষ্টিজনিত কারণে চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের উন্নতি এবং কৃষি উৎপাদন বাড়ায় খাদ্যের প্রাপ্যতা কিছুটা বেড়েছে। তবে, মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ায় সংকট মোকাবিলায় পরিবারগুলোর সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে।
আফগানিস্তানে খাদ্যসহায়তা বাড়ানো, কৃষিতে জরুরি সহায়তা দেওয়া এবং অপুষ্টি প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য দ্রুত অর্থায়নের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ও খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ বছরের কম বয়সী ৪০ লাখ ৪০ হাজার শিশুর তীব্র অপুষ্টিজনিত কারণে চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের উন্নতি এবং কৃষি উৎপাদন বাড়ায় খাদ্যের প্রাপ্যতা কিছুটা বেড়েছে। তবে, মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ায় সংকট মোকাবিলায় পরিবারগুলোর সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে।
আফগানিস্তানে খাদ্যসহায়তা বাড়ানো, কৃষিতে জরুরি সহায়তা দেওয়া এবং অপুষ্টি প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য দ্রুত অর্থায়নের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ও খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।